দিনাজপুরে মৃতের শরীরে করোনাভাইরাস নেই

দিনাজপুরের বিরামপুরে সোমবার করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মৃত ফরহাদ হোসেনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নেই। এছাড়া বিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে থাকা ৮ বছরের শিশু ও স্বাস্থ্যকর্মী দু’জনের শরীরেও নেই করোনাভাইরাসের উপস্থিতি।

মৃতব্যক্তি ও আইসোলেশনে থাকা দু’জনের নমুনা পরীক্ষায় আইইডিসিআর এর রিপোর্ট নেগেটিভ বলে জানিয়েছেন দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. মো.আব্দুল কুদ্দুস।

তিনি জানান: গত ২৪ ঘণ্টায় দিনাজপুরে নতুন করে কাউকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জেলায় সর্বমোট ৪৬০ জন হোম কোয়ানেন্টাইনে রয়েছেন। আর হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৩২৯ জন।

এর আগে করোনাভাইরাস উপসর্গ নিয়ে সোমবার দিনাজপুরের বিরামপুরে ফরহাদ হোসেন অপি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এ মৃত্যুর ঘটনার পর তোলপাড় পড়ে যায় স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের মধ্যে। তারা বিরামপুর উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের তপসী গ্রামটি লকডাউন করে। মৃত ফরহাদের পরিবারের ৪ সদস্য ছাড়াও আশপাশের ৮৩টি বাড়ির ৩২৩ জনকে বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

অন্যদিকে,জ্বর, সর্দি, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ২৩ মার্চ বিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে আট বছরের এক শিশু ভর্তি হয়। পরদিন ২৪ মার্চ ওই হাসপাতালের এক স্বাস্থ্যকর্মীর একই সমস্যা দেখা দিলে তাকেও আইসোলেশনে ভর্তি করা হয়। ওই দিনই তাদের দু’জনের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে নমুনা পরীক্ষা করে তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি নেই বলে জানিয়েছে আইইডিসিআর। তাই বিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৮ বছরের শিশু ও স্বাস্থ্যকর্মী দু’জনকে আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে।

আরো দেখাও

সম্পর্কিত নিবন্ধ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close