বিনোদন

  • সেরা করদাতা যেসব তারকা

    বিনোদন ডেস্ক : সেরা করদাতাদের ট্যাক্স কার্ড দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সেজন্য ১৪১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা গেজেট আকারে…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • এবার কবিতায় মিথিলার পাশে দাড়ালেন তাহসান !

    নিউজ ডেস্ক : নিজের সাবেক স্ত্রী মিথিলার পর এবার তাহসানের একটি পুরনো কবিতা ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি তাহসান নিজেই সামনে এনেছেন…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • ফের বিয়ের পিড়িতে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ নায়িকা

    বিনোদন ডেস্ক : ১৯৯৮ সালে বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ ছবিটি মুক্তি পায়। সেই ছবি দিয়ে দুই বাংলার সিনেমায় অভিষেক…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • ৬ নভেম্বর ফোকফেস্টের নিবন্ধন শুরু

    বিনোদন ডেস্ক: দক্ষিণ এশিয়ার লোকসংগীতের সর্ববৃহৎ আসর ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোকফেস্ট’। পঞ্চমবারের মতো এবারও রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তিন দিনব্যাপী এই উৎসব…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে টিভিতে নানা আয়োজন

    বিনোদন ডেস্ক: বরেণ্য কথাসাহিত্যিক, নাট্যনির্মাতা ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে বিভিন্ন চ্যানেল তার স্মরণে আয়োজন করে…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • WWE রেসলিংয়ে শিল্পা শেঠী!

    নিজস্ব প্রতিবেদন: শিল্পা শেঠী ও স্টোন কোল্ড, দুজনের দূরদূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। একজন বলিউডের অভিনেত্রী, অন্যজন WWE রেসলার। কোনওদিন…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • পরিণীতি চোপড়ার এ কোন পরিণতি ?

    নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রেম করছেন পরিণীতি চোপড়া? শ্রদ্ধা কাপুরের পর বলিউডে গুঞ্জন অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার ভালোবাসার পাত্র কে? শোনা যাচ্ছে, সহ-পরিচালক…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • তিন খানকে টপকে শীর্ষে অক্ষয় কুমার

    বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার জনপ্রিয় মার্কিন ব্যবসাবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বসের ধনী তারকাদের তালিকায় স্থান করে নিলেন। বলিউডের একমাত্র অভিনেতা হিসেবে এ…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • শুভ জন্মদিন পূর্ণিমা

    বিনোদন ডেস্ক : জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ১৯৯৮ সালে ঢাকাই চলচ্চিত্রে পথচলা শুরু করেন…

    বিস্তারিত পড়ুন
  • কেঁপে ওঠেন নোবেল ফাইনাল রেজাল্ট শুনে, কেউ একটাও তালি দেয়নি

    এপার বাংলা ওপার বাংলার সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গেরচ্যানেল জি বাংলা’র গানের রিয়েলিটি শো সারেগামাপা’র ফাইনালের ফলাফল ৷যা নিয়ে দুই বাংলার মানুষের আগ্রহ ও কৌতূহলের শেষ নেই ৷ সম্প্রতিগণমাধ্যমকে দেয়া বাংলাদেশি প্রতিযোগী নোবেলের সাক্ষাৎকার নতুন করেকৌতূহলের সৃষ্টি করেছে যেখানে নোবেল জানান যে,সারেগামাপা’র গ্র্যান্ডফিনালের শ্যুটিং এখনো ধারণ করা হয়নি যা সুকৌশলে এড়িয়ে গেছেন নোবেলকিন্তু ফিনালের শ্যুটিং যে ইতোমধ্যেই ধারণ হয়ে গেছে সেটা ওপার বাংলারতারকাদের ফেসবুক,ইন্সটাগ্রাম পেজ কিংবা টুইটার হ্যান্ডেলে শোভা পাচ্ছে! যাই হোক জি–বাংলা সারেগামাপার গ্র্যাণ্ড ফিনালের আয়োজনে আসলে কিঘটেছিল এবং নোবেল এর পারফরম্যান্স ও ফলাফল নিয়ে এতো নাটকীয়তাকেন? পুরো ঘটনাটাই পরিষ্কার করে গ্র্যান্ড ফিনালেতে অতিথি হিসেবে উপস্থিতথাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভারতীয় দর্শকের উদ্ধৃতি দিয়ে ঘটনাপ্রবাহকালের কণ্ঠ পাঠকদের সামনে হুবহু তুলে ধরা হলো– এবারের জি বাংলা সারেগামাপা এর গ্র্যাণ্ড ফিনালের অনুষ্ঠান বৃষ্টির কথা মাথায়রেখে ২৯শে জুন আয়োজন করা হয়েছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজারহাটেঅবস্থিত বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। আমন্ত্রিত অতিথিদের হোয়াইট ড্রেসকোড পরিধানের নির্দেশনা দেওয়া ছিল, যা অনেকে মানেনি। বাংলাদেশ সময়  দুপুর ৩.০০ টার সময় অনুষ্ঠান শুরু সাপেক্ষে সেখানে উপস্থিত হওয়ার কথা বলাহয়। ফিনালের সব প্রতিযোগীর বাবা মা’র ন্যায় বাংলাদেশের নোবেলের বাবাঅসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও অতিথি হিসেবে এসেছিলেন ছেলের পারফরম্যান্স সামনেথেকে বসে দেখবেন বলে। তাঁকে কনভেনশন সেন্টারের সামনে ট্যাক্সিক্যাব থেকে নামতে দেখা যায়।এসময় তাঁর সাথে ছিলেন নোবেলম্যান ব্যান্ডের সদস্যরা এবং কলকাতার তন্ময়প্রামাণিক। ভিড় ঠেলে অতিথিদের আসন গ্রহণ করা এবং শিডিউল মেইন্টেইনকরা পুরোটাই ছিল ম্যানেজমেন্ট এর অব্যস্থাপনায় ভরপুর। প্রবেশের সময়কর্তৃপক্ষ বলে দেয় যে রাত ১২ টার মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করা হবে এবং যার যারবাসায় ফিরে রাতের খাবার খেয়ে নেবেন। আর যারা বাইরে থেকে যেকোনওধরণের খাবার নিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে চাচ্ছিলেন তাদের খাবার গেইটেরবাহিরে ফেলে দিতে বাধ্য করা হয় এবং তা স্তুপ আকারে জমা হতে থাকে একপাশে। এরপর সকল আমন্ত্রিত অতিথিরা কনভেনশন হলের ভেতরে প্রবেশ করে আসনগ্রহণ শেষে বিকাল ৫ টার সময় সকল ফাইনালিস্টদের ফ্ল্যাশব্যাক মোমেন্ট একনজরে বড় পর্দায় দেখানো হয়। এরপর ৫.৩০ টা নাগাদ ফাইনালের মূলআনুষ্ঠানিকতা মানে প্রথম রাউন্ডের পারফরম্যান্স শুরু হয়। এখানে সকলপ্রতিযোগী নিজেদের উপস্থাপন করতে সাথে আরেকজন অতিথি শিল্পীসহ মঞ্চেআসেন। এখানেও জি–বাংলা সারেগামাপা টিমের ছিল পুরোনো স্ট্যান্টবাজি।বরাবরের মতো সবার পারফরম্যান্স শেষে বাংলাদেশের মাঈনুল আহসাননোবেলকে মঞ্চে ডাকা হয় । এসময় অনুপম রায়ের সাথে আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি‘ গানটি ডুয়েট পরিবেশনকরেন নোবেল। তারপরে অতুল প্রসাদ এর ‘আমি বাংলার গান গাই‘ এই গানটিনোবেল তাঁর দরাজ কণ্ঠে পরিবেশ করেন। এসময় তার ফ্যানবেজ যার যারআসন থেকে প্ল্যাকার্ড এবং মোবাইল ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে হাত নাড়াতে থাকেন।গানটি শেষ হওয়ার পর বিচারক শান্তনু মৈত্র মঞ্চে এসে নোবেলকে জড়িয়েধরেন। অতিথি বিচারক হিসেবে উপস্থিত থাকা বলিউডের সুখবিন্দর সিং বলেন, ‘আমি তোমার বাংলা গানের ফ্যান হয়ে গেলাম। তবে ফাইনালের এই আয়োজনেগোল্ডেন গিটার বলতে কিছু ছিল না। কিন্তু বিচারকরা বলেছিলেন গান বেশিভালো লাগলে গোল্ডেন গিটার বাটন প্রেস করা হবে। এরপরে বিচারকরা সকলেরদেওয়া মার্কস খামে ভরে বাক্সে জমা দিচ্ছিলেন। এরমধ্যেই অনেকে কনভেনশনসেন্টার থেকে বাইরে বের হন রাতের খাবার গ্রহণের জন্য। কারণ ফাইনালেরদ্বিতীয় রাউন্ডের পারফরম্যান্স এখনো বাকি। তখন আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি ও বিচারকদের কিছু পারফরম্যান্স বড় পর্দায়দেখানো হচ্ছিল। হলের বাহিরে যে খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল সবাইকেতা নিজের টাকা দিয়ে কিনে খেতে হয়েছে। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্যকোনওরকম ব্যবস্থা রাখেনি কর্তৃপক্ষ। এসময় নোবেলের বাবা এবং নোবেলম্যানব্যান্ডের সদস্যদের খাবারের প্লেট হাতে দীর্ঘ লাইনের সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষাকরতে দেখা যায় অন্যান্যদের মতো। হঠাৎ করেই বাইরে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাওয়ায়সকলের মধ্যে ঘটে যায় বিপত্তি–ছুটোছুটি। তারপরে রাত ১১.৪৫ মিনিট নাগাদফাইনালের দ্বিতীয় রাউন্ডের পারফরম্যান্স শুরু হয়। এখানেও নোবেলকেপারফর্ম করার জন্য মঞ্চে ডাকা হয় সবার শেষে। সকলকে উদ্দেশ্যে করে নোবেল কিছু কথা বলেন এবং তাঁর ফ্যানবেজকে দেওয়াকথা রাখতে জেমসের এর গাওয়া ‘বাংলাদেশ‘ গানটি মঞ্চে পরিবেশন করেন।এসময় অনেকেই তাঁর গান শুনে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং এরমধ্যেইচারিদিকে যেন করতালির রোল পড়ে যায়। রাত তখন প্রায় ০২.৪০ মিনিট।কিছুক্ষণের মধ্যেই সকল ফাইনালিস্টদের মঞ্চে ডাকা হয়। শোয়ের উপস্থাপকযীশু সেনগুপ্ত ফাইনালিস্ট দের নিয়ে কিছু একটা জানতে চান। তখন যার যারফ্যানবেজ প্ল্যাকার্ড উপরে তুলে ধরেন। এবার ফলাফল ঘোষণার পালা। মঞ্চথেকে বলা এবারের সারেগামাপা এর ২য় রানার্সআপ হচ্ছেন প্রীতম। আর শুধুপ্রীতমই নয় যৌথভাবে আরও একজন আর সে হচ্ছেন নোবেল। এসময়চারিদিক একদম নিস্তব্ধ। নোবেলের যখন রেজাল্ট দিল, উপস্থিত একটা মানুষওহাততালি দেয়নি; বাংলাদেশ এর মানুষ ছিল হাতেগোনা কয়েকজন, বাকিরা সবাইছিল কলকাতার। তারাও সবাই হয়তো ভেবে নিয়েছিল নোবেল কিছু একটা ভালোপজিশন ডিজার্ভ করবে। কী পরিমাণ আঘাত পেলে একটা মঞ্চ এভাবে স্তব্ধহয়ে যেতে পারে আপনারা কেউ কি বলতে পারেন। যেখানে নোবেল নিজেরকানকেও বিশ্বাস করতে পারেনি .. ও নিজেও কেপেঁ উঠেছিল নিজের রেজাল্টটিশুনে। কারণ এইরকম রেজাল্ট তো সে ডিজার্ভ করে না .. গৌরব ও স্নিগ্ধজিৎহয়েছে যেখানে ১ম রানার্সআপ এবং অঙ্কিতাকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। যাইহোক অন্যদের সাথে তুলনা করে দোষ দিতে কথা কি আর বলবো। সবকিছুসিলেক্ট তো করেছিল বিচারকেরা। ফাইনালে বিচারক মোনালি ঠাকুরআলাদাভাবে এবং অঙ্কিতার সাথেও পারফরম্যান্স করেন। কিন্তু পরবর্তীতেদেশের বাহিরে কনসার্ট থাকায় ফ্লাইট ধরতে তিনি মঞ্চ থেকে চলে যান। একজনপ্রফেশনাল জাজের অনুপস্থিতিতে রেজাল্ট কিভাবে দেয় তা ভেবে অনেকেইভেবে পাইনা তৎক্ষণাৎ। এই সারেগামাপা এতোটা আগ্রহ নিয়ে দেখা এটাইহয়তো শেষ, দুর্নীতির ছায়ায় আচ্ছন্ন সারেগামাপার এই আসল রূপ দেখার পরেমন থেকে আর কেউ ভালোবাসবে না এইটুকু নিশ্চিত। ফাইনাল প্রচারিত নাহওয়া পর্যন্ত ফাইনালিস্ট দের কোন ধরনের বিবৃতি দেওয়া বারণ করে দিয়েছেজি–বাংলা কর্তৃপক্ষ। অঙ্কিতা ও স্নিগ্ধজিতের এই ফলাফলে বলিউডের সিঙ্গারসুখবিন্দর সিং এর যথেষ্ট প্রভাব ছিল যা সকলের চোখে পড়েছে। আর নোবেলএর রেজাল্টের সময় পুরো স্টেজ ফাকাঁ হয়ে গিয়েছিল। তখন চারিদিকে ছিলনিস্তব্ধতা। অথচ আগামী ২৮শে জুলাই সন্ধ্যায় জি বাংলায় গ্র্যান্ড ফিনালেরঅনুষ্ঠান প্রচারিত হওয়ার সময় সবাই ঠিকই দেখবেন নোবেল নোবেল বলেচিৎকারে ভেসে যাচ্ছে মঞ্চ এবং নোবেলও প্রাইজ নিতে আসছে! সত্যিই এসবকাজ দারুণভাবে এডিটিং করা যায়..!!!

    বিস্তারিত পড়ুন
Close